প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই বিদ্যালয়টি স্থানীয় জনসাধারণের শিক্ষার আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করে আসছে। একশোরও বেশি বছরের এই দীর্ঘ পথচলায় বিদ্যালয়টি বারবার সমাজ ও জাতির পরিবর্তনের সাক্ষী হয়েছে। প্রথমদিকে বিদ্যালয়টি ছিল একটি ক্ষুদ্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যেখানে সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও গ্রামের শিশু-কিশোরদের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রদান করা হতো। সময়ের সাথে সাথে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং বিদ্যালয়টি ধীরে ধীরে এলাকাবাসীর আস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। এই বিদ্যালয় শুধু শিক্ষার প্রচারেই নয়, বরং সামাজিক উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক চর্চা এবং নৈতিক মূল্যবোধ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। বিভিন্ন সময়ে জাতীয় আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও সামাজিক পরিবর্তনের মুহূর্তে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় জনগণ সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে, যা প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। বর্তমানে বিদ্যালয়টি আধুনিক পাঠদান পদ্ধতি, তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম এবং সহপাঠ কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলছে।
প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই বিদ্যালয়টি স্থানীয় জনসাধারণের শিক্ষার আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করে আসছে। একশোরও বেশি বছরের এই দীর্ঘ পথচলায় বিদ্যালয়টি বারবার সমাজ ও জাতির পরিবর্তনের সাক্ষী হয়েছে। প্রথমদিকে বিদ্যালয়টি ছিল একটি ক্ষুদ্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যেখানে সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও গ্রামের শিশু-কিশোরদের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রদান করা হতো। সময়ের সাথে সাথে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং বিদ্যালয়টি ধীরে ধীরে এলাকাবাসীর আস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। এই বিদ্যালয় শুধু শিক্ষার প্রচারেই নয়, বরং সামাজিক উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক চর্চা এবং নৈতিক মূল্যবোধ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। বিভিন্ন সময়ে জাতীয় আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও সামাজিক পরিবর্তনের মুহূর্তে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় জনগণ সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে, যা প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। বর্তমানে বিদ্যালয়টি আধুনিক পাঠদান পদ্ধতি, তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম এবং সহপাঠ কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলছে।
শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতি উন্নতির শিখরে পৌঁছাতে পারে না। খাদিজা আবু বকর উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ এবং সুশৃঙ্খল জীবন গঠনে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের শুধু বইয়ের জ্ঞান নয়, বরং জীবনমুখী শিক্ষা দিয়ে একজন দায়িত্বশীল, সৎ ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা। বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ আন্তরিকতা, দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করছেন। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের শিক্ষার্থীরা আগামী দিনে সমাজ ও দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে এবং বিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখবে।
প্রতিষ্ঠাতা
সভাপতি
প্রধান শিক্ষক
সহকারী শিক্ষক
সহকারী শিক্ষক